রক্ত – স্রাব ( Haematuria )- এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

রক্ত – স্রাব ( Haematuria )- এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

যে কোন রক্তবহা হইতে অল্পাধিক রক্তপাতকে রক্তস্রাব বা হিমরেজ বলা হয় । আঘাতপ্রাপ্তি ইহার প্রধান কারণ হইলেও পার্পিউরা, স্কার্ভি, হিমোফিলিয়া প্রভৃতি রোগে আঘাত ব্যতীতও রক্তস্রাব হয়, এবং শেষোক্ত রোগে রক্তস্রাব রোধ করা দুষ্কর হয় । অধিক রক্তস্রাব হইতে থাকিলে অবিলম্বে তাহা প্রতিরুদ্ধ না হইলে, তাহা জীবন বিপন্ন করিতে পারে ।
ধমনী বা আর্টারী, শিরা বা ভেন ও কৈশিকনলী বা ক্যাপিলারি প্রভৃতি সকল প্রকার রক্তবহা হইতেই রক্তস্রাব হইতে পারে ।

★ ধামনিক রক্তস্রাব বা আর্টেরিয়াল হিমরেজ – কোন ধমনী ছিন্ন বাস কর্তিত হইলে উজ্জল টকটকে লালবর্ণের রক্ত প্রতি হৃৎস্পন্দনসহ ( সিষ্টোল ) পিচকারীর ন্যায় বেগে ফিনকি দিয়া বহির্গত হয় । গভীর ধমনী হইতে রক্তস্রাব হইলে তদ্রুপ বেগে নির্গত না হইতেও পারে ।

★ শৈরিক রক্তস্রাব বা ভেনাস হিমরেজ – কোন শিরা হইতে রক্তস্রাব হইলে ঘোর লাল বা কৃষ্ণবর্ণের রক্ত একভাবে নির্গত হইতে থাকে ; গ্রীবাদেশস্থ জুগুলার ভেন প্রভৃতি হইতে রক্তস্রাব হইলে প্রতিবার শ্বাসত্যাগ সহ ফিনকি দিয়া রক্তস্রাব হয় ।

★ কৈশিক-নলী হইতে রক্তস্রাব বা ক্যাপিলারী হিমরেজ – ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কৈশিকনলী সমূহ হইতে রক্ত চুয়াইয়া বাহির হয় ; কোন ক্ষতের তলভাগ ও গাত্র হইতে এইরূপ রক্তস্রাব হইয়া থাকে ।

অতিরিক্ত রক্তস্রাবের কুফল – সহসা অতিরিক্ত রক্তস্রাব হইলে রোগী মূর্ছিত হইয়া মৃত্যুমুখে প্তিত হইতে পারে; রোগীর দ্রহ বিবর্ণ, শীতল ও চটচটে ঘর্মযুক্ত হয় ; ওষ্ঠ, কর্ণ, চক্ষুপল্লব ও হস্তপদাঙ্গুলি নীলাভ হয়, শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত ও অগভীর “ খাবি খাওয়ার ” ন্যায় হয়, অত্যধিক অস্থিরতা প্রকাশ পায় এবং কয়েকবার আক্ষেপিক খেঁচুনি হইয়া মৃত্যু সংঘটিত হয় ।

অত্যধিক রক্তস্রাব হইলেও তাহা তৎক্ষণাৎ মারাত্মক না হইলে রোগী মূর্ছাভঙ্গ হইয়া কিছুকাল যাবত কোল্যাপ্সের ন্যায় অবস্থায় পতিত হইয়া থাকে, নাড়ী দ্রুত ও ক্ষীণ হয় এবং সামান্য চাপ দিলে লোপ পায় ।

রক্তস্রাবের চিকিৎসা – অতিরিক্ত রক্তস্রাববশতঃ মূর্ছা হউক বা না হউক, রোগীকে মাথা নিচু করিয়া স্থিরভাবে শায়িত রাখিতে হইবে । রক্তস্রাব সম্পূর্ণরূপে আয়ত্তের মধ্যে আসিলে এবং পুনরায় রক্তস্রাব হইবার আশঙ্কা বিদূরিত হইলে রোগীকে বলকারক পথ্য বা ষ্টীমুলেণ্ট দেওয়া যাইতে পারে । অতিরিক্ত রক্তস্রাব হইলে রোগীর দেহে অপরের দেহ হইতে সমধর্ম বিশিষ্ট রক্ত আবশ্যকমত প্রবেশ করানো হইলে প্রায়ই রোগীর মৃত্যু হয় না ।

ইহাকে ট্রান্সফিউসান অফ ব্লাড বলে । বর্তমানে ব্লাড ব্যাঙ্ক নামক প্রতিষ্ঠানে নানাপ্রকার দেহধর্মযুক্ত রক্ত সুস্থ ব্যক্তির দেহ হইতে মোক্ষণ করিয়া গচ্ছিত রাখা হয় । প্রয়োজন হইলে তাহা হইতে ট্রান্সফিউসান করা হইয়া থাকে । ইহাতে বিশেষ অভিজ্ঞতা এবং হাসপাতালের সাহায্য ও সুযোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন । অপেক্ষাকৃত মৃদতর ক্ষেত্রে শিরাপথে ( ইনট্রা-ভেনাস ) দুই তিন পাইট ১০৫ হইতে ১১০ ডিগ্রি ( ফারেনহিট ) উষ্ণ নর্মাল স্যালাইন সলিউসান ধীরে ধীরে প্রবেশ করানো হইয়া থাকে । ইহাকে ব্লাড ইনফিউসান বলে । ইহাতেও বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন বলিয়া অভিজ্ঞ চিকিৎসকের সাহায্য গ্রহণ কর্তব্য । উপযুক্ত সময়ে ট্রান্সফিউসান অথবা ইনফিউসান করিলে রক্তক্ষয়হেতু রোগীর মৃত্যু হইতে পারে না । ইহা বলা হইয়া থাকে ।

★★ লক্ষণ সাদৃশ্যে নিম্নলিখিত ঔষধ সমূহের মধ্য হইতে ঔষধ নির্বাচন করিতে পারিলে খুব দ্রুত রক্তস্রাব বন্ধ হবে এবং রোগী নির্মল আরোগ্য হবে –

জিরেনিয়ম – ম্যাকুলেটাম ( GERANIUM – MACULATUM ) <> রক্তোৎকাস ও রক্তবমন পীড়ায় নির্বাচিত ঔষধে কোন উপকার না পাইলে বা স্থায়ী উপকার না হইলে তখন ইহার মূল-আরক ১০ হইতে ৩০ ফোঁটা পর্যন্ত মাত্রায় পীড়ার উগ্রতানুসারে ২/৩ বার ৪ ঘণ্টা অন্তর প্রয়োগ এক এক সময় যাদুমন্ত্রের মত পীড়ার উপশম হয় ।

অ্যাসিড এসেটিক ( ACID ACETIC ) <> নাসিকা , ফুসফুস, পাকস্থলী, অন্ত্র, জরায়ু প্রভৃতি শরীরের সকল দ্বার দিয়া রক্তস্রাবের মহৌষধ, ঋতুকালে ও প্রসবের পর রক্তস্রাবেও ইহা উপকারী । শরীরের একস্থানের রক্তস্রাব বন্ধ হইয়া অন্যস্থান হইতে রক্তস্রাব হইলে এবং পড়িয়া গিয়া কিম্বা আঘাত লাগিয়া নাক দিয়া রক্তস্রাব হইলে ইহাতে উপকার হয় ।

ল্যাকেসিস ( LACHESIS ) <> এই রোগে ক্রোটেলাসের ন্যায় ইহাও উপকারী – বিশেষতঃ যখন ভিতরের রক্ত বিশ্লিষ্ট ( deeomposed ) হইয়া পচিয়া ( Evidence of blood – degeneration ) নির্গত হইতে থাকে । টাইফয়েড বা অবসাদক জ্বরের ( Low fevers ) এইরূপ রক্তস্রাবে ( রক্তস্রাব কাল রঙের এবং প্রস্রাবের নীচে তলানি হইয়া পড়িয়া থাকে ) এবং অ্যালবুমিনুরিয়া রোগে উদরী শোথ হইয়া প্রস্রাব যখন মসির মত কাল হয় তখন ল্যাকেসিসই উপকারী ।

মার্কিউরিয়াস – সল ( MERC – SOL ) <> রক্তস্রাবেও মার্ক – সল উপযোগী – বিশেষতঃ যদি রক্ত নির্গত হইতে না হইতে ঐ রক্ত জমিয়া যায় এবং নাসিকারন্ধ্রে ঝুলিতে থাকে – নাসিকা হইতে এইরূপ ভাবের রক্তস্রাব হইলে মার্ক–সল ব্যতীত অন্য ঔষধে উপকার হইবার সম্ভাবনা নাই । অনেকে বেল, হ্যামামেলিস, এরিজেরন ব্যবস্থা করেন, তাহাতে কোন উপকার হয় না – মার্ক–সলের লক্ষণ থাকিতে অন্য ঔষধে আমরা উপকারের আশাও করি না । ইহার প্রয়োগে কেবল যে সে বারই রক্তস্রাব বন্ধ হইবে তাহা নহে – পুনরায় এর হইবে না । রক্ত-প্রদর বা ইউট্রাসের রক্তস্রাবেও যদি রক্ত নির্গত হইতে না হইতে জমিয়া খলো খলো আকারে ঝোলে বা নির্গত হয়, তাহা হইলে মার্ক–সলই তাহার ঔষধ । ইহার সহিত যদি অন্যান্য বিশেষ-লক্ষণ বিশেষতঃ গ্রন্থির স্ফীতি, মুখে ও গলায় ঘা থাকে তাহা হইলে ইহাই উপযোগী ।

মিলিফোলিয়াম ( MILLIFOLIUM ) <> শ্বাস-নলী, মলদ্বার, প্রস্রাবদ্বার কিম্বা স্ত্রী-জননেন্দ্রিয় হইতে রক্তস্রাবে ইহা উপকারী – আঘাত-জনিত ঐ সকল দ্বার হইতে রক্তস্রাবেও ইহা উপকারী ।
প্রচুর পরিমাণে উজ্জল লালবর্ণের রক্তস্রাব – তবে সেই সঙ্গে ( একোনাইটের মত ) বেদনা বা উদ্বেগ কিছুমাত্র থাকে না । আঘাত লাগিয়া অনুক্ষণ রক্তস্রাব ।

লিডাম – পাল ( LEDUM – PALUSTRE ) <> মদ্যপায়ী ( মাতাল ) ও বাত-গ্রস্ত লোকের মুখ দিয়া রক্ত উঠা – ঐ রক্ত খুব লাল কিন্তু গেঁজলার মত ।

ক্যাকটস গ্র্যান্ডি ( CACTUS GRANDI ) <> রক্তউঠার সহিত হৃৎপিণ্ডের সজোরে স্পন্দন সহ ফুসফুস, নাসিকা, গুহ্যদ্বার, পাকস্থলী, প্রস্রাবদ্বার ইত্যাদি যে কোনও স্থান হইতে হউক রক্তস্রাব হইতে থাকিলে – ক্যাকটস উপকারী । ইউরেথ্রা ( মুত্রনলি ) হইতে চাপ চাপ রক্ত বাহির হয় । ঘন ঘন প্রস্রাব, ম্যালেরিয়া জ্বরে – রক্ত বাহ্য । তবে জ্বর ও উদ্বেগ একোনাইট অপেক্ষা কম ।

ট্রিলিয়ম ( TRILLIUM ) <> রক্তস্রাবের নিমিত্তই এই ঔষধটি অধিক সমাদৃত । জরায়ু, নাসিকা, দন্ত, মলদ্বার ইত্যাদি সকল স্থানেরই রক্তস্রাব ইহার দ্বারা নিবারিত হয়, ইহাতে যে রক্তস্রাব হয় তাহার রঙ প্রায়ই উজ্জল লালবর্ণ বা কাল রঙের ; যাহাদের পায়ই রক্তস্রাব হয় – তাহাদের রক্তস্রাবে এই ঔষধ অধিকতর উপযোগী ।
রক্তস্রাবকালীন কোমরে ভীষণ বেদনা থাকে ।

স্যাবাইনা ( SABINA ) <> ইউট্রাসের রক্তস্রাব ; যদি রক্ত উজ্জল লাল বর্ণের ও কতক কালো চাপ চাপ ( elot ) নির্গত হয় – নড়িলে চড়িলে রক্তস্রাবের বৃদ্ধি, সেই সঙ্গে বেদনা পিউবিস হইতে আরম্ভ হইয়া সেক্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত হয় । স্যাবাইনা অত্যন্ত গরমকাতর হয় ; কিন্তু স্যাবাইনা প্রয়োগের পর স্রাব সাময়িক বন্ধ থাকিয়া যদি পুনরায় প্রকাশ পাইতে থাকে তাহা হইলে সালফার বা টিউবারকুলিনাম ব্যবহার করা উচিত ।

মিচেলা ( MITCHELLA ) <> সারভিক্স ফোলা, শক্ত হওয়া, ঘোর লাল হওয়া, এই সঙ্গে মুত্রস্থলীর ইরিটেসন এবং পুনঃ পুনঃ প্রস্রাবের বেগ সহ রক্তস্রাব – রক্ত উজ্জল লালবর্ণের, রক্তস্রাবের সহিত মুত্রকৃচ্ছ , যোনিমধ্যে উত্তাপ ও জ্বালা ।

নাক্স – ভমিকা ( NUX – VOM ) <> অর্শগ্রস্ত রোগীর নাসিকা হইতে রক্তস্রাব – নাসিকা হইতে রক্তস্রাবের পূর্বে মাথাব্যাথা এবং গণ্ডের আরক্তিমতা । রাত্রে নিন্দ্রাবস্থায় এইরূপ রক্ত প্রায়ই নির্গত হয় – আবার যখন তখনও হইতে দেখা যায় ।

★ ব্যভিচার, অমিতাচার বা রাত্রি জাগরণের পর রক্তপ্রস্রাব হইতে থাকিলে নাক্স – ভমিকা উপযোগী ।

★ ব্যভিচার, অমিতাচার বা রাত্রি জাগরণ মদ্য সেবন প্রভুতির পর মুখ দিয়া রক্ত উঠিলে কিম্বা অর্শের রক্ত হঠাৎ বন্ধ হইয়া মুখ দিয়া রক্ত উঠিলে – ভমিকা উপযোগী ।

ওপিয়ম ( OPIUM ) <> মদ্যপায়ীদের রক্তোৎকাসে যখন রোগীর বক্ষ উত্তপ্ত ও সর্বশরীর ঠাণ্ডা থাকে – তখন ওপিয়ম উপকারী – আর সেই সঙ্গে যদি কাশি অতিশয় যন্ত্রণাদায়ক হয় এবং বহুকষ্টে সামান্য মাত্র গ্যাঁজলার ন্যায় মিউকাস ও রক্ত উঠে – তাহা হইলে ওপিয়ম অধিকতর উপযোগী । ইহার আর একটি বিশেষ –লক্ষণ – কাসির সহিত রোগী আচ্ছন্ন ও অভিভুত থাকে ( drowsy with the cough ) ।

ফসফরাস ( PHOSPHORUS ) <> ইউট্রাসে পলিপস অথবা ক্যান্সার হওয়ার জন্য রক্তস্রাবে – ফসফরাস উপযোগী । এতদ্ভিন্ন ব্রাইটস ডিজিজ হেতু পাকস্থলী বা লংস হইতে রক্তস্রাব হইলেও ইহা উপযোগী ( সকল দ্বার হইতে রক্তস্রাবে ফসফরাস উপকারী ) । নাকে পলিপস হইয়া অধিক পরিমাণে রক্তস্রাব হইলেও ইহা উপকারী ।

★★ ঋতু বন্ধ হইয়া অথবা পাকস্থলীর কনজেশন হেতু কিম্বা পাকস্থলীর কোনরূপ যান্ত্রিক পীড়া নিবন্ধন রক্ত বমন হইলে – ফসফরাস উপযোগী । রক্ত কতকটা কফি গোলার মত এবং কতকটা জমা-জমা । পাকস্থলীর ক্যান্সার বা কোনরূপ ক্ষত-জনিত রক্তবমন হইলেও ইহা উপযোগী ।

★★ রজঃরোধ হইয়া পাকস্থলী বা লংস অথবা নাক হইতে কিম্বা প্রস্রাবের সহিত রক্তস্রাব হইলে ফসফরাস উপকারী । থাইসিস রোগের প্রথম অবস্থায় রক্তস্রাব আরম্ভ হইলে – ফসফরাস সর্বাপেক্ষা উপকারী ।

★★ সামান্য ক্ষত হইতেও অতিশয় রক্তস্রাব হয় – হয়তো আঙ্গুলে কিছু ফুটে গেল বা সামান্য আঘাত লাগিলে – সেইজন্য ভয়ানক রক্ত পড়িয়া শীঘ্র বন্ধ না হইলে ফসফরাস উপকারী ।

সিকেলি-কর্ণিউটম ( SECALE – CORN ) <> ইউট্রাসের রক্তস্রাবে রক্তের রঙ ঘোলাটে ( dark ) ; রক্ত ঘন নহে বরং তরল ( thin ) এবং অনবরত স্রাব চলিতে থাকে ( পালসেটিলার মত fitfully হয় না ) – একবারের জন্য থামে না । ইউট্রাসের রক্তস্রাবে ইহা অধিক উপযোগী – তবে দেহের অন্যান্য cavity হইতে রক্তস্রাব হইলেও ইহা উপযোগী ।

★★ ইউট্রাসের রক্তস্রাবে – সিকেলি প্রয়োগ কালে স্মরণ রাখিবে যে রক্ত যেমন ঘোলাটে ( dark ) তেমনি দুর্গন্ধ-ময় । রক্তস্রাব এমন ভাবে হয় যে মনে হয় – সেই অঙ্গ বুঝি শিথিল হইয়া গিয়াছে বা তাহার মুখ বুঝি খুলিয়া আছে – সেই জন্য অবিশ্রান্ত কখনও অল্প পরিমাণে কখনও অধিক পরিমাণে রক্ত ঝরিতে থাকে ।

★★ রক্তস্রাব – হেতু কখনও কখনও রোগী অজ্ঞান হইয়া পড়ে ও তাহার সর্বাঙ্গ ঠাণ্ডা হইয়া যায় । রক্তস্রাব হেতু এইরূপ অজ্ঞান হইবার পূর্বে রোগিণীর সর্ব শরীরে ঝিনঝিন করে ও সড় সড় করে – সেইজন্য নিকটস্থ সেবাকারীকে সর্ব শরীর টিপিয়া বা ঘসিয়া দিতে বলে ।

★★ আবার কখনও কখনও হাতে পায়ে খিল ধরে অথবা কখনও কখনও হাতের ও পায়ের আঙ্গুলগুলি অনবরত ছেতরাইয়া থাকে ।

★★ রোগিণীর সমস্ত শরীর ঠাণ্ডা অথচ গাত্রদাহে অঙ্গে বস্ত্র রাখিতে পারে না – সিকেলির এই বিশেষত্বটি রক্তস্রাবেও স্মরণ রাখিবে ।

Amar homoeo Dr adnan sami homoeopathy online service…

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*